কবিতা · প্রেমের
আত্মসম্মানের প্রদীপ
১৬ আগস্ট ২০২৬
যে মাটিতে শেকড় বাঁধার আগেই অবহেলার ধুলো জমে,
সেখানে বৃথা জলের অপেক্ষায় থাকা মানে কেবলই নিজেকে ঠকানো।
যে চোখের তারায় অস্তিত্বের কোনো মূল্য নেই,
সেখানে নিজেকে সঁপে দেওয়া মানে নিজেরই সত্তাকে একটু একটু করে বিলীন করে দেয়া।
আত্মসম্মান তো কোনো কাঁচের খেলনা নয় যে ভেঙে গেলে জুড়ে নেবে!
এ যে বুকের গহীনে সযত্নে রাখা এক অমূল্য প্রদীপ।
যে আঙিনায় সে প্রদীপের আলোর কদর নেই, কেবলই তাচ্ছিল্যের ঝড় বয়,
সেথায় প্রদীপ নেভার আগেই নীরবে সরে আসা শ্রেয়।
হয়তো আজ, নয়তো কাল!
মোহের ঘোর কাটলেই বুঝতে পারবে, যে সুতোয় আগে থেকেই টান ধরেছে, তা একদিন ছিঁড়বেই।
অভ্যাসের শিকলে বাঁধা পড়ে যে সম্পর্ক কেবলই হাঁসফাঁস করে,
তার মৃত্যু অবধারিত। আজীবন অবহেলার চাদর মুড়ি দিয়ে তো আর বাঁচা যায় না!
তাই, অপমানের ধুলোয় পুরোপুরি ঢেকে যাওয়ার আগেই,
নিজস্বতার আকাশ নিয়ে একা হয়ে যাওয়া অনেক বেশি সম্মানের।
যেখানে তোমার ‘তুমি’র কোনো জায়গা নেই,
সেখান থেকে নিঃশব্দে, নির্বিবাদে একটু আগেই প্রস্থান করা উত্তম।
কারণ, অন্যের অবহেলায় মাথা নত করে থাকার চেয়ে,
নিজেকে ভালোবেসে শূন্য হাতে মাথা উঁচু করে হাঁটাই প্রকৃত বীরত্ব।
রিদুয়ান হৃদয়
দুই হাজার ছাব্বিশের ষোলই আগস্ট